রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সকাল ১০:৩২
শিরোনাম :
রমজানে খাদ্য সরবরাহে সংকট হবে না, পর্যাপ্ত মজুত আছে: খাদ্যমন্ত্রী কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি থেকে ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর পতনের দ্বারপ্রান্তে মোদি,দিল্লিতে বড় বিক্ষোভের ডাক ইন্ডিয়া জোটের দারিদ্র্যতা,অনিশ্চিত আবাসন ও ভ্রাম্যমাণ জীবনে শিক্ষাবঞ্চিত বেদে শিশুরা আন্তর্জাতিক ভাষা প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জিতলেন বিএম কলেজের রিফাত বিদায় বেলায় অবরুদ্ধ দুর্নীতির বরপুত্র বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা আনসার মোল্লা স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে সেরা গোলকিপার রিয়াদ হোসেন পতিত আ.লীগের সন্ত্রাসীরা রিকশাচালক হিসেবে হাজির হয়েছে: চিফ হুইপ বরিশালে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ১০ টি নতুন উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশের চুক্তি সই

সবচেয়ে বড় ইয়াবার চালান আটক; বাজারমূল্য ১ কোটি ৩৩ লাখ ডলার

মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলে চলতি সপ্তাহে বেশ বড় দুটি ইয়াবার চালান আটক করেছে পুলিশ। মাগুয়ে প্রশাসনিক অঞ্চল ও রাখাইন রাজ্যের মংডু থেকে এ দুটি চালান আটক করা হয়। দুটি চালানে এক কোটির ইয়াবা বড়ি ছিল, যা বাংলাদেশে পাচার করা হচ্ছিল বলে গতকাল সোমবার জানিয়েছে পুলিশ।

আটক করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৩৩ লাখ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১১২ কোটি টাকা। পুলিশের কর্নেল উইন কো কো বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, চলতি বছর মিয়ানমারে এটি সবচেয়ে বড় মাদকের চালান আটকের ঘটনা। রাখাইনের মংডু এলাকার ইতিহাসে এত বড় মাদকের চালান এর আগে আটক হয়নি।

ইয়াবার মূল উপাদান মেথামফেটামিন। এটি বিশ্বের বেশির ভাগ দেশে ‘মাদক’ হিসেবে নিষিদ্ধ। মেথামফেটামিন উৎপাদনকারী বিশ্বের শীর্ষ দেশ মিয়ানমার। মেথামফেটামিন দুই ধরনের। একটি দেখতে স্বচ্ছ স্ফটিকের মতো; যা মাদকের দুনিয়ায় ক্রিস্টাল মেথ বা ‘আইস’ (বরফ) নামে পরিচিত। এই উচ্চ মানের মাদক মিয়ানমার থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার মতো উন্নত দেশের বাজারে যায়।

আরেকটি নিম্নমানের মেথামফেটামিন, যার সঙ্গে ক্যাফেইন মেশানো হয়। এটিই এ অঞ্চলে ‘ইয়াবা’ নামে পরিচিত। একে ক্রেজি মেডিসিন (পাগল ওষুধ) বা ‘ঘোড়ার ওষুধ’ বলা হয়ে থাকে। থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশের বাজারে মিয়ানমারের ইয়াবা সবচেয়ে বেশি পাচার হয়ে থাকে।
মিয়ানমারের অধিকাংশ মাদক উৎপাদিত হয় পূর্বাঞ্চলীয় শান রাজ্যে; যা রাখাইনের অন্য প্রান্তে অবস্থিত। সহিংসতা-জর্জর ওই রাজ্যের অধিকাংশ এলাকা কেন্দ্রীয় প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে নেই। বিচ্ছিন্নতাবাদী বিভিন্ন গোষ্ঠী সেসব অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করে। ওই অঞ্চলে পপি চাষ হয়। বিশ্বে আফগানিস্তানের পরে মিয়ানমারই সবচেয়ে বেশি পপি উৎপাদন করে। পপি আফিম ও হেরোইনের উপাদান।

শানের পপিঘেরা পাহাড়গুলো মেথামফেটামিনের গবেষণাগারের জন্য আদর্শ স্থান। কারণ মিয়ানমারেও এটি নিষিদ্ধ। চীন থেকে এর রাসায়নিক উপাদান বন্যার পানির মতো আমদানি হয়ে থাকে।